মেয়েদের স্তনের প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন?
মেয়েদের স্তনের প্রতি ছেলেদের তীব্র আসক্তি রয়েছে। স্তনের বৈচিত্র্যতাও এর অন্যতম কারন। প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় ছেলেদের চোখের মুভমেন্ট থেকে এবং ছেলেরা যখন অনেক কষ্ট করে বুকের দিকে না তাকিয়ে মুখের দিকে তাকানোর চেষ্টা করে তখন মেয়েরা জানতে পারে ছেলেরা তাদের স্তনের প্রতি কতটা অন্ধ। যখন কেউ আপনার দুর্বলতা জানতে পারবে।
সধারণ মানুষ মনে করে বিয়ের পূর্বে কারো স্তন বড় হয়ে যাওয়া মানে সে নিশ্চয়ই কারো সাথে নিয়মিত ফোরপ্লে করে বা সঙ্গম করে। যদিও এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
সধারণ মানুষ বড় স্তনের প্রতি দূর্বল।
যাদের স্তন বড়, তাদেরকে সাধারণ মানুষ কনফিডেন্ট নারী বলে মনে করে।
যাদের স্তনের আকার হৃষ্টপুষ্ট, তদেরকে সধারণ মানুষ একটু বেশি পাত্তা দেই; একটু বেশি সম্মান করে ও বেশি দাম দেই।
কেন বড়ো স্তনের প্রতি এত দুর্বলতা, সেটা সাধারণ মানুষ নিজেরাও জানেনা।
সাধারণ মানুষ মেয়েদের স্তনের মধ্যে একটা শৈল্পিক আকর্ষণ খুঁজে পায়। একটা সুখ খুঁজে পায়।
মেয়েদের স্তনের শিল্প মূল্য তাদের কাছে অনেক বেশি।
স্তন একটি মহিলার মুকুট এবং তার প্রতিষ্ঠান। সাধারণত মানুষ মেয়েদের স্তন একটি স্ত্রীর মাতৃভাব এবং পোষণ সুবিধা হিসেবে দেখে। কিন্তু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বিভিন্ন সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ভিন্নতা উপস্থাপন করতে পারে।
একটি সংস্কৃতিতে মেয়েদের স্তন অত্যন্ত গৌরবের বিষয় হতে পারে, যেখানে স্তন মাতৃত্ব এবং প্রকৃতির একটি অস্থায়ী পরিবর্তন এবং একটি শারীরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অন্য সমাজে স্তন খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং সাধারণ একটি শারীরিক অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
একটি উন্নয়নশীল সমাজে, মেয়েদের স্তন প্রায় সামান্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে প্রাথমিক লক্ষ্য হল বাচ্চাদের পোষণ ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা।
দৃষ্টিভঙ্গি কখনই বদলানো যায় না। কোনো যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর চেষ্টা করা নেহায়েত বোকামি।
মেয়েরা যদি এমন পোশাক পরে যেটাতে তার ক্লিভেজ দেখা যাবে, এমন পোশাক পরলে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ হবেই। এটাই স্বাভাবিক।
এটাকে এখন অনেক লিবারেলরা বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে বলবে "পশ্চিমা দেশে তো নারীরা স্তনভাজ বা ক্লিভেজ দেখিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে, কই সেখানকার লোকেরা তো দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ করে দেখে না। আমাদের দেশে কেন দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ করবে? সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান"
আমি বলবো — দয়া করে "দৃষ্টিভঙ্গি" আর "বৈজ্ঞানিক যুক্তি" এক করবেন না।
আমি যদি এখন পাকিস্তানের ক্রিকেট জার্সি পরে বাংলাদেশের রাস্তায় চলাফেরা করি, তখন তো ঠিকই এই লিবারেল বলবে "রাজাকার", "আলবদর"। তাহলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটাই খারাপ হলো কেন?
যুক্তি অনুসারে তো পশ্চিমা দেশে যদি আমি পাকিস্তানের ক্রিকেট জার্সি পরে থাকি, তখন তো কোনো লোক এসে দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ করবে না। তাই না?? তো যারা আমাকে রাজাকার বলছে, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আগে বদলানো উচিত, তাই না??
দৃষ্টিভঙ্গি একটা ভৌগোলিক বিষয়, আর এটা যুক্তি দিয়ে উপস্থাপন করা আর বদলানোর কথা চিন্তা করা বোকামি। আমার দেশের নারীরা বাজে পোশাক পরলে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ হবে, এটাই স্বাভাবিক, এটাই প্রকৃতি।
