গোপনাঙ্গের লোম কীভাবে পরিষ্কার করা যায়?
গোপনাঙ্গের লোম আমাদের শরীরেরই অংশ এবং এগুলো অচ্ছুৎ, নাপাক বা অস্পর্শনীয় কিছু নয়। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে গোপনাঙ্গের লোম নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত তাই এর সঠিক ও নিরাপদ উপায়গুলো নারী পুরুষ সবারই জানা উচিত।
উঠতি বয়সে যখন আমাদের শরীরের গোপনাঙ্গের লোম প্রথম গজায় তখন অনেক কিশোর কিশোরী এই ব্যাপারটা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারণে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয়।
এই ব্যাপারটায় বড়রা তাদের সহযোগীতায় খুব একটা এগিয়ে আসেন না। আবার বাচ্চারা লজ্জায়, বিব্রত হওয়া ভয়ে বা ধমক খাওয়ার ভয়ে এসংক্রান্ত কোন প্রশ্ন বড়দের করতেও ভয় পান।
গত্যন্তর হয়ে সমবয়সীদের কাছ থেকেই জানার চেষ্টা করেন যাদের নিজেদেরই এব্যাপারে জ্ঞান থাকে না। ফলস্রুতিতে অনেক সময় রক্তারক্তির ঘটনা ঘটে এবং এ থেকে শরীরে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি তৈরী হয়।
আজকাল বাজারে শুধুমাত্র গোপনাঙ্গের লোম পরিষ্কারের জন্য খুব ভাল কিছু সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে জিলেট ব্রান্ডের সুনাম বিশ্বব্যাপী। এদের পণ্যগুলোর মান ভাল এবং কাটাছেড়া যাওয়ার ভয় কম ও ইনফেকশন হওয়া থেকে নিরাপদ ।
আপনার সুবিধার জন্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে দুইটি নমুনা ছবি প্রদান করলাম।
এটা পুরুষদের জন্য।
এটা মহিলাদের জন্য।
গোপনাঙ্গের লোম শরীরের অন্য অংশের লোম থেকে তুলনামূলকভাবে শক্ত হয় বিধায় গোসল করার পর এগুলোর পরিষ্কার করা সুবিধাজনক, এতে লোমগুলো নরম হয় এবং কাটতে গেলে শরীরের স্নায়ুর উপর কম চাপ পড়ে।
এক্ষেত্রে সাবান বা শেভিং জেলের ব্যবহার আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্য দিবে।
মহিলাদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে ভিট জাতীয় হেয়াম রিমোভাল ক্রীমের ব্যবহারও ব্যাপক সমাদৃত।
বাঁচতে হলে জানতে হবে।
একটা কৌতুক দিয়ে শেষ করি।
কোন এক ছুটির দিনে বাড়ির কর্তা বের হলেন চুল দাড়ি কাটতে।
ফিরে আসার পর তাকে খুব ফুরফুরে মেজাঝে দেখে গিন্নী জিজ্ঞেস করলেন “কি ব্যাপার, এতো খুশি কেন?”।
জবাবে কর্তা লাজুক হেসে বললেন “আজ একটা নতুন জিনিসের অভিজ্ঞতা পেয়েছি। মহল্লায় চুল দাড়ি কাটানোর সেলুনতো অনেক আছে কিন্তু হিন্দি চুল (গোপনাঙ্গের লোম) কাটানোর কোন ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। আজ একটা নতুন সেলুনে গিয়ে দেখলাম ওরা হিন্দি চুল (গোপনাঙ্গের লোম) কাটে, ব্যাস দেরি না করে কাটিয়ে আসলাম!”
কাহিনী শুনে গিন্নী শুনেতো অবাক, আরো হতবাক হলেন যখন শুনলেন সেখানে মেয়েদের হিন্দি চুল (গোপনাঙ্গের লোম) কাটানোর ব্যবস্থাও আছে।
ব্যাস ওনাকে আর পায় কে? পরদিনই চলে গেলেন সেই সেলুনে। কাজ শেষে খুশি মনে বিল দিতে গিয়ে জানলেন ওনার বিল হয়েছে ১৫০ টাকা । শুনেই রেগে গেলেন “আপনাদের সার্ভিস ভাল তা ঠিক আছে কিন্তু গতকালই তো আমার কর্তার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিলেন আর আজ আমার কাছ থেকে বাড়তি চাইছেন, কেন?!
জবাবে সেলুনের ম্যানেজার বললেন “ম্যাডাম ওনার তো হ্যান্ডেল ছিল তাই ওনার বিল ১০০ টাকা আর আপনার যে হ্যান্ডেল নাই তাই আপনার বিল ১৫০ টাকা ”
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন, নিরাপদ থাকুন, ভাল থাকুন।



