ADS

হস্তমৈথুন জনিত ঘাটতি পুরনের জন্য কী কী খাবার খাবো?


হস্থমৈথূন জনিত কিসের ঘাটতি? এটাতে তো কোনো কিছুর ঘাটতি হয় না। যেই অল্প মাল বা বীর্য বের হয় সেটা কয়েক মিনিটের মধ্যেই এমনিতেই পূরন হয়ে যায়।


শুধু যখন বিয়ের পরে বাচ্চা নিতে চাইবেন তখন কয়েকদিন হস্থমৈথূন করবেন না। স্ত্রীর মাসিক শুরু হওয়ার পরে ১৪ তম দিন থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহ স্ত্রীর সাথে সেক্স করবেন ১ দিন পর পর। এই সময়ে হস্থমৈথূন করবেন না বা তিন চার দিন গ্যাপ দিয়ে করবেন। ফলে বীর্যে বেশি শুক্রানু থাকবে। ফলে বাচ্চা হওয়ার চান্স বেড়ে যাবে।


এই একটা সময় ছাড়া সারাদিন চার পাচবারও যদি বীর্যপাত করেন, অল্প পড়ুক আর বেশি পড়ুক আপনার শরীরের কোনো কিছুর ঘাটতি দেখা দিবে না।


যত নিয়মিত হস্থমৈথূন করবেন আপনার শুক্রানুর ডিএনএ ঠিক থাকবে। ডাক্তারেরা পরামর্শ দেন বীর্যের শুক্রানুর ডিএনএর মান ঠিক রাখতে নিয়মিত হস্থমৈথূনের বিকল্প নেই। কারন পুরনো শুক্রানু বীর্যে থাকলে সেটা যদি ডিম্বানুকে নিষিক্ত করে তবে বাচ্চা সুস্থ নাও হতে পারে।


পুরনো, 'বাসি' শুক্রানু দিয়ে বাচ্চা নেয়া রিস্ক। তাই নিজের ও নিজ ভবিষ্যত সন্তানের সুস্থতার জন্যে নিয়মিত হস্থমৈথূনের অভ্যাস একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। শুধু বাচ্চা নেয়ার সময় যাতে বীর্যে বেশি শুক্রানু নিশ্চিত করতে দুই তিন চারদিন হস্থমৈথূনে গ্যাপ দিতে হয়। বেশি গ্যাপ দিলে বীর্যে পুরনো শুক্রানু জমা হয়ে থাকবে। নতুন শুক্রানু উৎপন্ন করার জন্য বিয়ের পরেও যদি স্ত্রী মিলন না করেন তবুও তিন চার দিন পর পর অন্তত একদিন হস্থমৈথূন করুন। বাচ্চা তো আর ঘন ঘন নিবেন না, দুইটার বেশি তো কখনোই না। তাই শুধু সেই সময়টা একটু গ্যাপ দিন।


আমাদের পুরুষাংগে যথেষ্ট চাপ থাকে। লুচ্চামি বলেন আর যাই বলেন আপনি নিজের মাল না ফেললে শান্তি পাবেন না। বাথরুমে গিয়েও কমোডের উপরে বীর্যপাত না করলে এই টেনশন রিলিজ হবে না।

এটাকে স্বাভাবিক ভাবে দেখুন। এটা খারাপ কিছু না।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Social Bar

Ads

Ads

Ads

ADS