ADS

স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায় কী?


স্বপ্নদোষ কী?

স্বপ্নদোষ স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এটা অফ করার কি আছে? আর এটি হলে আপনি অপটু হয়ে যান, এটার জন্য আপনার মাথা ঘোরে এগুলো ভুল ধারণা। আপনার আরেক শারীরিক ঝামেলার জন্য আপনি অযোগ্য হতেই পারেন তার জন্য স্বপ্নদোষকে দুষছেন কেন?


আর এটাকে স্বপ্নদোষ বলাও আমি সমর্থন করি না। কিসের ভুল ভাই? এটি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক হিউম্যান ন্যাচার। যদি স্বপ্নদোষকে ভ্যাজাইলা মনে করেই থাকেন এজন্য যে আপনার সুপ্রিম প্যান্টে দাগ পড়ে যায় তাহলে সপ্তাহ অন্তর মাস্টারবেট করতে পারেন। এতে স্বপ্নদোষ হবে না।


অমুক ভাইয়া বলছে তুলসি পত্র খাইলে স্বপ্নদোষ হয় না, তমুক ভাইয়া বলছে এ মন্ত্র পাঠ করলে হয়ে যায় না। এগুলা বাতিল দেন ভাই। বায়োলজিটা বোঝেন। স্বপ্নদোষ হয় রিজন আপনার বীর্যথলি পূরণ হয়ে যায় এইজন্য (স্বাভাবিকভাবে, ভিন্ন ক্যারিবেল্টি করলে প্রযোজ্য না)। বর্তমান এটা রোধ করতে আপনার কি করা লাগবে?

পদ্ধতি: 

১. বীর্য রিলিজ করা লাগবে (তাহলে মাস্টারবেট করে বের করে দেন আজাইরা যত জিনিসপাতি)


২. স্টোরেজ বাড়াতে পলিথিন ব্যাগ বীর্যথলির সঙ্গে কানেক্টেড করে দেন। (এ ব্যাপারে ওয়াসার ইঞ্জিনিয়ারিং এখনো তট ধার পায়নি। পাবেও না। এজন্য ২ নাম্বারটা হবে না)


পদক্ষেপ ০২: 

স্বপ্নদোষ হচ্ছে একজন নারী-পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। ১৩ হতে ১৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাইমারি বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ অতিশয় সাধারণ।তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সঙ্গে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের রিলেশন থাকতে পারে, আবার নাও পারে।


এতে শঙ্কা পাবার কিছু নাই , এটা আমারও হয়ে গিয়ে ছিল ‍আমি শুরুতে অতিশয় ডর পেয়েছিলাম । আমি অফ করার পর্যাপ্ত কৌশল খুজেছি। খুজতে গিয়ে জানতে পারি এটি স্বাভবিক নিয়ম, আবার কয়েকটি সপ্তাহ পর বন্ধ হয়েগেছে।অনেকে অনেক কয়েকটি খেতে বলতে পারে , যেমন- বেল পাতা । ভূলেও খাবেন না , এতে ‍আপনার এ প্রবলেম সমাধান হলেও পরবর্তিতে অনেক বড়.. প্রবলেম হতে পারে । একারণে এর জন্য কোন ঔষধ্ও সেবন করবেন না।


স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র। এ বয়সে এটা ঘটতে পারে। এতে ভীতির কোনো কারন নেই। ক্ষেত্রবিশেষ স্বপ্নদোষ এড়ানোর কতিপয় টিপস নিম্নেরূপ:


১.প্রতমত রোম্যান্টিক জাতীয় সিনেমা লক্ষ্য বন্ধ করুণ ও মেয়েদের নিয়ে কল্পনা হতে বিরত থাকুন।


২. ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের সেবা নয় - তবে এটা স্বপ্নদোষের চাপ

কমাতে শরীরকে সহযোগিতা করে।


৩. ঘুমাতে যাবার প্রথমে এককাপ মুনি পত্র (Sage Leaves - google এ সার্চকরে দেখতে পারেন। হয়তো আপনার এলাকায় এটি অন্য নামে পরিচিত) চা পান করলে এক্সট্রা হস্তমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পেতে পারেন।


৪. অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকার সহ সর্বপোরী যৌন দেহ শুদ্ধি, হরমোন ব্যালেন্স এবং হস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ও ভিতরগত ছোট-খাট ইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে।


৫. ঘুমানোর আগে এক্সট্রা জল পান করবেন না। যদি অল্প সংখ্যা প্রস্রাবের লক্ষনও থাকে বিছানায় যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন।


৬. রাতের খাদ্য খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।


৭. প্রতিদিন অল্প করে হলেও পুদিনা পাতা কিংবা মিছরী খাবার হ্যাবিট করুন।


৮. পবিত্র কোরআনের ৩০ নাম্বার পারার "সুরা তারিক" পড়ে শয়ন করুন। পাতলা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পড়ে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ হতে খালাস পেতে পারেন।


উপরের টিপস গুলো মেনে চলুন আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে।


এখন বলি স্বপ্নদোষ হলে আপনি অসুস্থ এমনটা না। যদি আপনার না হয়ে যায় তাহলে আপনি অসুস্থ। রিজন বীর্য উদ্ভাবন করতে পারছে না আপনার শরীর।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Social Bar

Ads

Ads

Ads

ADS